জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
- ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
- কাউন্সেলিং ফি
- ৪০০ টাকা
বিশেষায়িত পুষ্টি পরামর্শ
আইবিএস কেবল সাধারণ দীর্ঘমেয়াদি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা নয়, এটি পাকস্থলী, অন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র (Gut-Brain Axis), মেটাবলিজম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত।
শুরু ৪০০ টাকা
আইবিএস কেবল সাধারণ দীর্ঘমেয়াদি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা নয় - এটি আমাদের পাকস্থলী, অন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র (Gut-Brain Axis), মেটাবলিজম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত একটি দীর্ঘমেয়াদী ডাইজেস্টিভ ডিসঅর্ডার। যেখানে অন্ত্রের কার্যকারিতায় পরিবর্তনের কারণে বারবার পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পায়খানার ধরনে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।
IBS সাধারণত অন্ত্রের গঠনগত ক্ষতি করে না, তবে এর উপসর্গ দৈনন্দিন জীবনযাপন ও মানসিক স্বস্তিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি গবেষণায় দেখা গেছে, এ দেশের তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ আইবিএস-এ ভুগছেন। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ও তেলের খাবার খাওয়া, কায়িক পরিশ্রমের অভাব এবং বিশেষ করে অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে বাংলাদেশে কম বয়সীদের মধ্যেও এর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
আমাদের দেশে আইবিএস-কে অনেকেই সাধারণ "গ্যাস" বা "বদহজম" মনে করে বছরের পর বছর অবহেলা করেন। সঠিক ডায়াগনোসিস না হওয়ায় অনেকে দীর্ঘদিন ভুল বা অনাবশ্যক ওষুধ খেয়ে থাকেন।
হজমের সমস্যার ভয়ে অনেকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া একবারে বন্ধ করে দেন। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে শরীরে আয়রন, ভিটামিন বি১২ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি ও ওজন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যেতে পারে।
আইবিএস নিয়ন্ত্রণে ওষুধ শুধু সাময়িক আরাম দেয়, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো বিজ্ঞানসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন।
IBS-এর ক্ষেত্রে সবার জন্য একই খাবার নিষেধ নয় বা একই খাবার নয়। কোন খাবারে উপসর্গ বাড়ে, তা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই নিজের food triggers শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।
একজন দক্ষ পুষ্টিবিদ আপনার শারীরিক লক্ষণ ও হজম ক্ষমতা বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Low-FODMAP Diet দিতে পারেন যা স্বল্প সময়ের জন্য অনুসরণ করা যেতে পারে। তবে এটি দীর্ঘদিন নিজে নিজে অনুসরণ না করে পর্যায়ক্রমে খাবার পুনরায় যুক্ত করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সহনশীলতা নির্ধারণ করা উচিত।
IBS একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এর উপসর্গ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
সাধারণ প্রশ্ন
না। আমাদের দেশে আইবিএস-কে অনেকেই সাধারণ "গ্যাস" বা "বদহজম" মনে করে বছরের পর বছর অবহেলা করেন। সঠিক ডায়াগনোসিস না হওয়ায় অনেকে দীর্ঘদিন ভুল বা অনাবশ্যক ওষুধ খেয়ে থাকেন।
এটি স্বল্প সময়ের জন্য অনুসরণ করা যেতে পারে। তবে দীর্ঘদিন নিজে নিজে অনুসরণ না করে পর্যায়ক্রমে খাবার পুনরায় যুক্ত করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সহনশীলতা নির্ধারণ করা উচিত।
সবার জন্য একই খাবার নিষেধ নয়। কোন খাবারে উপসর্গ বাড়ে তা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তাই নিজের food triggers শনাক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।
আইবিএস নিয়ন্ত্রণে ওষুধ শুধু সাময়িক আরাম দেয়। স্থায়ী সমাধানের মূল চাবিকাঠি হলো বিজ্ঞানসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন।