জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
- ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
- কাউন্সেলিং ফি
- ৪০০ টাকা
বিশেষায়িত পুষ্টি পরামর্শ
কিডনি জটিলতা শুধু একটি অঙ্গের সমস্যা নয়, এটি রক্তচাপ, মেটাবলিজম, ফ্লুইড ব্যালান্স, ইলেকট্রোলাইট এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত।
শুরু ৪০০ টাকা
কিডনি জটিলতা শুধু একটি অঙ্গের সমস্যা নয় - এটি রক্তচাপ, মেটাবলিজম, ফ্লুইড ব্যালান্স, ইলেকট্রোলাইট এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত।
কিডনি রোগের প্রধান দুই রূপ হলো অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরি (AKI), যা হঠাৎ আক্রমণ করে, এবং ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD), যা দীর্ঘমেয়াদে ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও আন্তর্জাতিক তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৭ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত, যার অধিকাংশই বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বসবাস করেন।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় খুব সহজ রক্তের পরীক্ষা (Serum Creatinine) এবং প্রস্রাবের পরীক্ষা (Albuminuria বা প্রোটিন নিঃসরণ) দিয়েই প্রাথমিক পর্যায়ে CKD সনাক্ত করা সম্ভব।
বাংলাদেশে বিভিন্ন চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ১৬-১৮% কোনো না কোনো মাত্রার ক্রনিক কিডনি রোগে (CKD) ভুগছেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ায় আক্রান্তদের প্রায় ৮০-৯০% মানুষই উপযুক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসার বাইরে থেকে যান। রোগ জটিল রূপ নিয়ে কিডনি ফেইলার হলে বেঁচে থাকার জন্য ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।
প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, না বুঝে প্রেসক্রিপশন ছাড়া পেইনকিলার (ব্যথানাশক) খাওয়া, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং মানসিক চাপের কারণে কম বয়সীদের মধ্যেও কিডনি সমস্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
ইন্টারনেট বা সোশাল মিডিয়া দেখে হুট করে ডায়েট থেকে প্রোটিন সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া, না বুঝে পানি পানের পরিমাণ অতিরিক্ত বাড়ানো বা কমানো, কিংবা বিভিন্ন ভেষজ চিকিৎসা নেওয়া কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
সব কিডনি রোগীর সমস্যা এক নয়। কিডনি রোগের ধাপ (Stage 1 to 5), রক্তের ক্রিয়েটিনিন (Creatinine), ইউরিক এসিড, পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ডায়েট নির্ধারণ করতে হয়। একজন দক্ষ পুষ্টিবিদ আপনার রিপোর্ট ও শারীরিক অবস্থা বুঝে নির্দিষ্ট প্রোটিন-রিস্ট্রিক্টেড ডায়েট প্ল্যান তৈরি করে কিডনির কার্যক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী রাখতে সহযোগিতা করতে পারেন।
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
সাধারণ প্রশ্ন
না। ইন্টারনেট দেখে হুট করে ডায়েট থেকে প্রোটিন সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। রিপোর্ট ও শারীরিক অবস্থা বুঝে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন-রিস্ট্রিক্টেড ডায়েট প্ল্যান তৈরি করা হয়।
না বুঝে পানি পানের পরিমাণ অতিরিক্ত বাড়ানো বা কমানো ক্ষতিকর হতে পারে। কিডনি রোগের ধাপ ও রিপোর্ট অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করতে হয়।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় খুব সহজ রক্তের পরীক্ষা (Serum Creatinine) এবং প্রস্রাবের পরীক্ষা (Albuminuria বা প্রোটিন নিঃসরণ) দিয়েই প্রাথমিক পর্যায়ে CKD সনাক্ত করা সম্ভব।
কিডনি রোগের ধাপ (Stage 1 to 5), রক্তের ক্রিয়েটিনিন, ইউরিক এসিড, পটাশিয়াম ও সোডিয়ামের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ডায়েট নির্ধারণ করতে হয়।