জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
- ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
- কাউন্সেলিং ফি
- ৪০০ টাকা
বিশেষায়িত পুষ্টি পরামর্শ
লক্ষণ না থাকা বা অসচেতনতার কারণে প্রায় ৫০% মানুষ জানতেই পারেন না যে তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। এটি একটি “নীরব ঘাতক”।
শুরু ৪০০ টাকা
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা, যেখানে রক্তনালির দেয়ালে রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থেকে যায়; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এতে ভুগছেন, এবং বাংলাদেশেও বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে প্রাপ্তবয়স্কদের একটি বিশাল অংশ হাইপারটেনশনে আক্রান্ত। উদ্বেগের বিষয় হলো, লক্ষণ না থাকা বা অসচেতনতার কারণে প্রায় ৫০% মানুষ জানতেই পারেন না যে তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। এটি একটি "নীরব ঘাতক" (Silent Killer) হিসেবে কাজ করে।
উচ্চ রক্তচাপ যেকোনো বয়সে হতে পারে, তবে মধ্যবয়সী ও বয়স্কদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খাওয়া, কায়িক পরিশ্রম না করা, ওজন বৃদ্ধি, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান এবং অনিয়মিত জীবনযাত্রার কারণে বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও এটি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
সব হাইপারটেনশন রোগীর সমস্যা এক রকম নয়, তাই সবার জন্য একই জীবনযাত্রা বা খাদ্য তালিকা কাজ করে না। সাধারণ ডায়েট এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীর ডায়েটে অবশ্যই পার্থক্য রয়েছে।
যেমন: অনেক রোগীর শরীরে সোডিয়াম (লবণ) সংবেদনশীলতা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকে, যা না বুঝে ক্র্যাশ ডায়েট করলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে। শুধুমাত্র লবণ কম খাওয়া বা ওজন কমানোই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় নয়। তাহলে যাদের ওজন একদম স্বাভাবিক, তারা কী করবেন?
ভুল ডায়েট বা হঠাৎ করে অতিরিক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণ করলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি, দুর্বলতা এবং রক্তচাপের দ্রুত ওঠানামা হতে পারে। তাই দরকার রোগীর রক্তের রিপোর্ট, উপসর্গ ও লাইফস্টাইল বুঝে সঠিক পরিকল্পনা করা।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ না করলে এটি স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ফেইলিউর এবং চোখের দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে। তবে হাইপারটেনশন মানেই জীবন থেমে যাওয়া নয়, সঠিক ব্যবস্থাপনা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে রক্তচাপ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
উচ্চ রক্তচাপের সাথে অনেকের অতিরিক্ত ওজনও থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ রক্তচাপের সাথে যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে তাদের প্রতি ১ কেজি ওজন কমলে সিস্টোলিক রক্তচাপ গড়ে প্রায় ১ mmHg কমতে পারে। অর্থাৎ, কারও ওজন যদি ৮০ কেজি হয় এবং তিনি ১০ কেজি ওজন কমাতে পারেন, তাহলে তাঁর সিস্টোলিক রক্তচাপ গড়ে প্রায় ১০ mmHg পর্যন্ত কমতে পারে। ডায়াস্টোলিক রক্তচাপও সাধারণত কিছুটা কমে, তবে এর পরিমাণ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।
আপনার রক্তের রিপোর্ট, রক্তচাপের মাত্রা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা পর্যবেক্ষণ করে একজন দক্ষ পুষ্টিবিদ আপনাকে দিতে পারেন একটি নিরাপদ ও বিজ্ঞানভিত্তিক পুষ্টি পরিকল্পনা (যেমন DASH Diet)।
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
সবচেয়ে ছোট প্রোগ্রাম, শুরুটা ধীরে ও নিশ্চিতভাবে।
সাধারণ প্রশ্ন
শুধুমাত্র লবণ কম খাওয়া বা ওজন কমানোই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় নয়। অনেক রোগীর সোডিয়াম সংবেদনশীলতা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকে, যা না বুঝে ক্র্যাশ ডায়েট করলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ রক্তচাপের সাথে যাঁদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে তাঁদের প্রতি ১ কেজি ওজন কমলে সিস্টোলিক রক্তচাপ গড়ে প্রায় ১ mmHg কমতে পারে। ডায়াস্টোলিক রক্তচাপও সাধারণত কিছুটা কমে, তবে পরিমাণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন।
ওজন স্বাভাবিক থাকলেও উচ্চ রক্তচাপ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে রক্তের রিপোর্ট, রক্তচাপের মাত্রা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা দেখে পরিকল্পনা করা হয়, যেমন DASH Diet।
হ্যাঁ। লক্ষণ না থাকা বা অসচেতনতার কারণে প্রায় ৫০% মানুষ জানতেই পারেন না যে তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। এটি একটি “নীরব ঘাতক” হিসেবে কাজ করে।