কৈশোর বা টিনএজ হলো দৈহিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় হরমোনের পরিবর্তন, হাড় ও পেশির দ্রুত বৃদ্ধি এবং মানসিক টানাপোড়েনের কারণে পুষ্টির চাহিদা বহুলাংশে বেড়ে যায়।

এই সময় কেউ আন্ডারওয়েট হয়ে যায়, কেউ ওভারওয়েট। আবার কেউবা বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভোগে। এই বয়সে বডি ইমেজ বা শরীরের গঠন নিয়ে কিশোর-কিশোরীরা খুব সংবেদনশীল থাকে। গঠন ঠিক রাখতে যখনই কঠোর বা ক্র্যাশ ডায়েট করে তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়, শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

কেউবা অতিরিক্ত ফাস্টফুড ও জাংকফুডে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে খাবারের বিষয়ে তাদের ওপর জোর না করে পুষ্টিকর খাবারের ইতিবাচক দিকগুলো বুঝিয়ে বলা এবং পরিবারে সুষম খাবারের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই সময়েই এদের পড়াশোনা, স্কুল-কলেজ ও কোচিং-এর বেশ চাপ থাকে। তাই এই বয়সীদের জন্য প্রতিটি ধাপে ধাপে প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি পরামর্শ এবং গাইডলাইন।

তাদের পুষ্টি পরিকল্পনায় থাকবে

  • হেলদি গ্রোথ এন্ড ডেভেলাপমেন্ট
  • ওভারওয়েট ও আন্ডারওয়েট ম্যানেজমেন্ট
  • বয়ঃসন্ধিকালীন পুষ্টি বা কৈশোরকালীন পুষ্টি
  • সুস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং লাইফস্টাইল

সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ

জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট

সময়কাল: ৩০ দিন

বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।

  • ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
কাউন্সেলিং ফি
৪০০ টাকা

সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্নের উত্তর

এই বয়সে ক্র্যাশ ডায়েট করলে কী হয়?

এই বয়সে বডি ইমেজ নিয়ে কিশোর-কিশোরীরা খুব সংবেদনশীল থাকে। গঠন ঠিক রাখতে যখনই কঠোর বা ক্র্যাশ ডায়েট করে তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

ফাস্টফুডের আসক্তি কীভাবে সামলাব?

খাবারের বিষয়ে তাদের ওপর জোর না করে পুষ্টিকর খাবারের ইতিবাচক দিকগুলো বুঝিয়ে বলা এবং পরিবারে সুষম খাবারের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

কৈশোরে পুষ্টির চাহিদা কেন বেশি?

এই সময় হরমোনের পরিবর্তন, হাড় ও পেশির দ্রুত বৃদ্ধি এবং মানসিক টানাপোড়েনের কারণে পুষ্টির চাহিদা বহুলাংশে বেড়ে যায়। পাশাপাশি পড়াশোনা, স্কুল-কলেজ ও কোচিং-এর চাপও থাকে।

স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিকল্পনা ও লাইফস্টাইল গাইডলাইন পেতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন!

Facebook-এ মেসেজ দিন (নতুন ট্যাবে খুলবে) সব সেবা