জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
- ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
- কাউন্সেলিং ফি
- ৪০০ টাকা
বিশেষায়িত পুষ্টি পরামর্শ
ফ্যাটি লিভার শুধু অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, স্বাভাবিক বা কম ওজনের ব্যক্তিদেরও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।
শুরু ৪০০ টাকা
ফ্যাটি লিভার হলো লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়ার একটি অবস্থা। এটি শুধু অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, স্বাভাবিক বা কম ওজনের ব্যক্তিদেরও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৫–৭% ওজন কমাতে পারলে লিভারের চর্বি ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে। তবে শুধু ওজন কমানোই লক্ষ্য নয়। প্রয়োজন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন।
বিশ্বব্যাপী ও বাংলাদেশে ফ্যাটি লিভার রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০-৩২% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন। দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ২.৮২% ঘটে লিভার বা যকৃতের নানা জটিল রোগের কারণে।
তবে স্বস্তির কথা হলো, ফ্যাটি লিভার সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। তাই আপনার ওজন বেশি, স্বাভাবিক বা কম, যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে ব্যক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিকল্পনা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ।
সময়কাল: ৩০ দিন
বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।
সবচেয়ে ছোট প্রোগ্রাম, শুরুটা ধীরে ও নিশ্চিতভাবে।
সাধারণ প্রশ্ন
হ্যাঁ। ফ্যাটি লিভার শুধু অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, স্বাভাবিক বা কম ওজনের ব্যক্তিদেরও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন থাকলে শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৫–৭% কমাতে পারলে লিভারের চর্বি ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে। তবে শুধু ওজন কমানোই লক্ষ্য নয়।
অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি ও অস্বাস্থ্যকর প্রসেস খাবার কমানো গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে সুষম ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং পর্যাপ্ত ঘুম রাখতে হবে।