PCOS / PMOS শুধু একটি হরমোনজনিত সমস্যা নয় - এটি মেটাবলিক, ইনসুলিন, ওজন, ফার্টিলিটি ও মানসিক স্বাস্থ্যের সাথেও জড়িত।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে সারাবিশ্বে প্রজননক্ষম নারীদের প্রায় ৮-১৩% পিসিওএসে আক্রান্ত। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বিভিন্ন চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ নারীদের মধ্যে পিসিওএসে আক্রান্তের হার প্রায় ৭%। দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, বাংলাদেশে পিসিওএসের লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৬৩% নারীই উপযুক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসার বাইরে থেকে যান।

পিসিওএস মূলত রিপ্রোডাক্টিভ এজ বা প্রজননক্ষম বয়সের (১৫ থেকে ৪৫ বছর) নারীদের বেশি হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে বয়ঃসন্ধিকাল (১২-১৯ বছর) থেকেই অনেক মেয়ের মধ্যে পিসিওএসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া, কায়িক পরিশ্রম না করা, রাত জাগা এবং মানসিক চাপের কারণে কম বয়সীদের মধ্যেও এটি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

একই ডায়েট সবার জন্য কাজ করে না

সব পিসিওএস রোগীর সমস্যা এক রকম নয়, তাই একই ডায়েট সবার জন্য কাজ করে না। একটি সাধারণ ডায়েট এবং পিসিওএসে রোগীর ডায়েটে অবশ্যই পার্থক্য রয়েছে।

  • Insulin resistant PCOS
  • Inflammatory PCOS
  • Post-pill PCOS
  • Adrenal PCOS

তাই পিসিওএসের ধরন বুঝে পরামর্শ প্রয়োজন। যেমন: অনেক পিসিওএস রোগীর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকে, যা না বুঝে ডায়েট করলে সমস্যা বাড়তে পারে। শুধুমাত্র ওজন কমানোই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় নয়। তাহলে যারা অল্প ওজন নিয়েই পিসিওএসে আক্রান্ত তারা কী করবে?

ভুল ডায়েট বা অতিরিক্ত রেস্ট্রিকশন করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। পিরিয়ড আরও অনিয়মিত হতে পারে, হরমোনাল ইমব্যালান্স বাড়তে পারে, অতিরিক্ত চুল পড়া, মুখে ও শরীরে ব্রণ, দুর্বলতা বাড়তে পারে। তাই দরকার রোগীর রিপোর্ট, উপসর্গ ও লাইফস্টাইল বুঝে পরিকল্পনা করা।

PCOS হরমোনের ভারসাম্য, মাসিক চক্র, ovulation এবং reproductive health-কে প্রভাবিত করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত ovulation-এর কারণে গর্ভধারণে সময় বেশি লাগতে পারে। তবে PCOS মানেই infertility নয়, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই pregnancy-এর সুযোগ থাকে।

ভুল ধারণা ও পুষ্টিবিদের ভূমিকা

পাশাপাশি পিসিওএস নিয়ে বেশ ভুল ধারণা রয়েছে। এই ক্ষেত্রটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ইউটিউব, গুগল, ফেসবুক দেখে Extreme fasting করা, Completely carb-free diet করা, random supplements নিয়ে উপকার পেতে গিয়ে আরও ক্ষতি করে নেয়।

এখানে একজন ডায়েটিশিয়ান নিরাপদ বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক পরামর্শ, তথ্য এবং সঠিক লাইফস্টাইল মডিফিকেশন করে সহযোগিতা করতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ

জেনারেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট

সময়কাল: ৩০ দিন

বিভিন্ন রোগ অনুযায়ী ১ মাসের ডায়েট পরিকল্পনা ও কাউন্সিলিং।

  • ৩০ দিন পর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ফলোআপ নিতে হবে।
কাউন্সেলিং ফি
৪০০ টাকা

সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্নের উত্তর

সব পিসিওএস কি একই রকম?

না। বেশ কয়েক ধরনের পিসিওএস রয়েছে: Insulin resistant, Inflammatory, Post-pill এবং Adrenal PCOS। তাই পিসিওএসের ধরন বুঝে পরামর্শ প্রয়োজন, একই ডায়েট সবার জন্য কাজ করে না।

ওজন কম হলেও কি পিসিওএস হতে পারে?

হ্যাঁ। শুধুমাত্র ওজন কমানোই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় নয়। যাঁরা অল্প ওজন নিয়েই পিসিওএসে আক্রান্ত, তাঁদের জন্য রিপোর্ট ও উপসর্গ বুঝে আলাদা পরিকল্পনা দরকার।

পিসিওএস থাকলে কি কার্বোহাইড্রেট পুরোপুরি বাদ দিতে হবে?

না। ইউটিউব বা ফেসবুক দেখে Extreme fasting বা Completely carb-free diet করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে, পিরিয়ড আরও অনিয়মিত হতে পারে, হরমোনাল ইমব্যালান্স বাড়তে পারে। একজন ডায়েটিশিয়ানের বিজ্ঞানভিত্তিক পরামর্শ নিন।

পিসিওএস মানেই কি বন্ধ্যাত্ব?

না। PCOS মানেই infertility নয়, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই pregnancy-এর সুযোগ থাকে। তবে অনিয়মিত ovulation-এর কারণে কিছু ক্ষেত্রে গর্ভধারণে সময় বেশি লাগতে পারে।

তাই আপনার পিসিওএস জার্নিকে সহজ করতে আজই আমাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন।

Facebook-এ মেসেজ দিন (নতুন ট্যাবে খুলবে) সব সেবা